কাঁকরোলের অসাধারণ মুখরোচক রান্না

কাঁকরোল

সবজি হিসাবে কাঁকরোল রান্নাঘরে খানিকটা অপছন্দনীয় বললে ভুল হবে না। তারপরও কেউ কেউ চাকা চাকা করে কেটে ভাজা খান। তবে অন্যরকম একটা মুখরোচক খাবার প্রস্তুত করা যায় এই কাঁকরোল দিয়ে। সেটি হল কাঁকরোলের পুর। এটি নিরামিষ পদ হিসেবে খুবই উপাদেয়। এ ছাড়াও ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই সবজি।

উপকরণ

 বড় কাঁকরোল-২টি

 সর্ষে-২ চা চামচ

 কাঁচালঙ্কা-২টি

 নারকেল কোরা- ৪ চা চামচ

 সর্ষের তেল (ভাজার জন্য)-২০০ গ্রাম 

 লবণ-স্বাদ অনুসারে

হলুদ-এক চতুর্থাংশ চা চামচ

কালো জিরে-আধ চা চামচ

পোস্তদানা- এক চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ

 চিনি-আধ চা চামচ

 বেসন-৫০গ্রাম

 চালের গুঁড়ো-৫০ গ্রাম

প্রণালী: কাঁকরোলের বোঁটার দিক এবং মাথার দিক অল্প কেটে বাদ দিয়ে দু’ ফালি করে ধুয়ে নিন।  অল্প ভাপিয়ে নিন। একটা ছুরি বা কাঁটা চামচ বিঁধিয়ে দেখে নিন সঠিক সেদ্ধ হয়েছে কি না। সেদ্ধ হয়ে গেলে জল ঝরিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে চামচ দিয়ে কুরে শাঁস বের করে নিন। এ বার একটি পাত্রে চামচ দিয়ে শাঁসটি ভাল করে চটকে নিন। বীজ পছন্দ না করলে বেছে আলাদা বাদ দিন। দুটো কাঁচালঙ্কা দিয়ে  সর্ষেটা বেটে রাখুন। ওই সর্ষে বাটা, নারকেল কোরা, ২ চা চামচ সর্ষের তেল, সামান্য চিনি, লবণ, অল্প কালো জিরে মিশিয়ে ভাল করে সবটা চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এ বার ফালি করা চারটে কাঁকরোলের মধ্যে ওই পুর ভরে নিন।

একটা পাত্রে বেসন, চালের গুঁড়ো, কালো জিরে, পোস্তদানা, হলুদ, সামান্য চিনি দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে  ঘন করে একটি মিশ্রণ তৈরী করুন। একটা কড়াই কিংবা ফ্রাইং প্যানে সর্ষের তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হলে ওই পুর ভরা কাঁকরোল মিশ্রণে চুবিয়ে আস্তে করে তেলে ছাড়ুন। গ্যাসে আঁচ কমিয়ে দিন। ঢিমে আঁচে ভাজুন। এক পিঠ হয়ে গেলে উল্টে অন্য পিঠ ভেজে নিতে হবে। কাঁকরোলের গায়ে লালচে-বাদামী রং ধরলে উঠিয়ে টিস্যু পেপারের উপর রাখুন। এতে বাড়তি তেল শুষে নেবে। গরম ভাতের সঙ্গে খেতে চমৎকার লাগবে।

Spread the love

লাইফ স্টাইল ডেস্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Next Post

আবিষ্কারে নতুন উদ্ভাবন : অপচয় ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহণ এইবার

মঙ্গল নভে ১০ , ২০২০
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার’-এ গত ১৪ ই অক্টোবর একটি গবেষণাপত্র দ্বারা কিভাবে অপচয় হ্রাস করে বিদ্যুতের ব্যবহার সবার জন্য আরেকটু সহজলভ্য করা যায় তার উপর জোরালো প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। এই আবিষ্কারের পিছনে রয়েছেন নিউ ইয়র্কের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী রঙ্গা ডায়াস ও তাঁর সহযোগীরা। ছবি : সংগৃহীত   আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুতের […]